ইলিয়াসী তাবলীগ জামাত ,
ফাজায়েলে আমল বা তাবলীগী নিসাব সম্পর্কে ডাঃ জাকির নায়েক এর মতামত
ফাজায়েলে আমল বা তাবলীগী নিসাব সম্পর্কে ডাঃ জাকির নায়েক এর মতামত
প্রশ্নঃ আমার প্রশ্ন জাকির ভাইয়ের কাছে , যে আমাদের এখানে ইসলামকে একটি নতুন চেহারা দেয়া হয়েছে যা তাবলীগ নামে পরিচিত।
যেখানে মুসলিমরা তাদের ঘর বাড়ি ছেড়ে চল্লিশ (৪০) দিনের জন্য মসজিদে মসজিদে ঘুরে বেড়ায় এবং সেখানে এমন এক বই পড়া হয় , যেটার সাথে কোরআন ও সহীহ হাদীসের সাথে খুব একটা সম্পর্ক নেই , সেই বইয়ে জাল হাদীসে ভরপূর , যা ফাজায়েল আমাল বা তাবলীগী নিসাব নামে পরিচিত।
দয়া করে আপনি এই বিষয়ে কিছু বলুন।
যেখানে মুসলিমরা তাদের ঘর বাড়ি ছেড়ে চল্লিশ (৪০) দিনের জন্য মসজিদে মসজিদে ঘুরে বেড়ায় এবং সেখানে এমন এক বই পড়া হয় , যেটার সাথে কোরআন ও সহীহ হাদীসের সাথে খুব একটা সম্পর্ক নেই , সেই বইয়ে জাল হাদীসে ভরপূর , যা ফাজায়েল আমাল বা তাবলীগী নিসাব নামে পরিচিত।
দয়া করে আপনি এই বিষয়ে কিছু বলুন।
ডাঃ জাকির নায়েকের উত্তরঃ
সাধারণত এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর আমি খুব একটা দেই না। যেহেতু এটা এই
অনুষ্ঠানের শেষ প্রশ্ন , তাই এর উত্তরটি দিচ্ছি ; যাতে মানুষ এই অভিযোগ না
করতে পারে যে আমি প্রশ্নকার উত্তরটি দেইনি।
উনি প্রশ্ন করেছেন মুসলিদের মধ্যে তাবলীগ জামাত নামে যে দলটি রয়েছে সেই সম্পর্কে।
যেখানে তাবলীগী নিসাব (ফাজায়েল আমল) নামক বইটি পড়া হয় , যার মধ্যে বিভিন্ন হাদীসের মিশ্রণ রয়েছে।
হ্যাঁ , আপনি ঠিক বলেছেন ,
সেটাকে তাবলীগী নিসাব বা ফাজায়েল আমল বলা হয় যা যাকারিয়া সাহেব লিখেছেন।
এর মধ্যে মিশ্রণ রয়েছে , সহীহ হাদীস আছে , যঈফ হাদীস আছে , জাল হাদিসও আছে , আবার কাহিনী কিচ্ছাও আছে। ফলে এই বইয়ের সকল দলীল গুলো মেনে নেওয়া বা আমল করা ঠিক হবে না।
আমাদের আমল করতে হবে শুধুমাত্র সহীহ হাদীসকে। সহীহ হাদিসই আমাদের পথ ও দলীল হবে।
যদি কোন যইফ হাদীস , কোন সহীহ হাদীসের পক্ষে বা সমর্থনে তাহলে অন্য কথা।
এছাড়া বাকী যঈফ ও জাল হাদীস. গুলোকে পথ ও দলীল মনে করা , এটা ইসলামের শরীয়তের পরিপন্থী।
আমল করতে হবে কোরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা।
এটা খুবই আফসোসের বিষয় যে , কিছু মুসলিমরা তাবলীগী নিসাব (ফাজায়েল আমল) এর মত বই গুলোকে কোরআন ও সহীহ হাদীস থেকে বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে , ও পাঠ করে থাকে , যা ভুল। বরং আমাদেরকে কোরআন ও সহীহ হাদীসকে গুরুত্ব দিতে হবে ,
যেমনঃ সহীহ বোখারী ও সহীহ মুসলিম ; এই দুই গ্রন্থের সবগুলো হাদিসই সহীহ , সুতরাং এই দুই গ্রন্থের হাদীসগুলো নিয়ে সংশয় থাকার কোন প্রয়োজন নেই কারন সবগুলো হাদীসই সহীহ। এরপর আপনি পড়তে পারেন সুনানে আবু দাউদ , তিরমিযী শরীফ , সুনানে ইবনু মাজাহ ,
সুনানে নাসাঈ শরীফ। এর মধ্যে অধিকাংশ হাদীস সহীহ , কিন্তু সবগুলো না বোখারী ও মুসলিমের মত।
উনি প্রশ্ন করেছেন মুসলিদের মধ্যে তাবলীগ জামাত নামে যে দলটি রয়েছে সেই সম্পর্কে।
যেখানে তাবলীগী নিসাব (ফাজায়েল আমল) নামক বইটি পড়া হয় , যার মধ্যে বিভিন্ন হাদীসের মিশ্রণ রয়েছে।
হ্যাঁ , আপনি ঠিক বলেছেন ,
সেটাকে তাবলীগী নিসাব বা ফাজায়েল আমল বলা হয় যা যাকারিয়া সাহেব লিখেছেন।
এর মধ্যে মিশ্রণ রয়েছে , সহীহ হাদীস আছে , যঈফ হাদীস আছে , জাল হাদিসও আছে , আবার কাহিনী কিচ্ছাও আছে। ফলে এই বইয়ের সকল দলীল গুলো মেনে নেওয়া বা আমল করা ঠিক হবে না।
আমাদের আমল করতে হবে শুধুমাত্র সহীহ হাদীসকে। সহীহ হাদিসই আমাদের পথ ও দলীল হবে।
যদি কোন যইফ হাদীস , কোন সহীহ হাদীসের পক্ষে বা সমর্থনে তাহলে অন্য কথা।
এছাড়া বাকী যঈফ ও জাল হাদীস. গুলোকে পথ ও দলীল মনে করা , এটা ইসলামের শরীয়তের পরিপন্থী।
আমল করতে হবে কোরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা।
এটা খুবই আফসোসের বিষয় যে , কিছু মুসলিমরা তাবলীগী নিসাব (ফাজায়েল আমল) এর মত বই গুলোকে কোরআন ও সহীহ হাদীস থেকে বেশী গুরুত্ব দিয়ে থাকে , ও পাঠ করে থাকে , যা ভুল। বরং আমাদেরকে কোরআন ও সহীহ হাদীসকে গুরুত্ব দিতে হবে ,
যেমনঃ সহীহ বোখারী ও সহীহ মুসলিম ; এই দুই গ্রন্থের সবগুলো হাদিসই সহীহ , সুতরাং এই দুই গ্রন্থের হাদীসগুলো নিয়ে সংশয় থাকার কোন প্রয়োজন নেই কারন সবগুলো হাদীসই সহীহ। এরপর আপনি পড়তে পারেন সুনানে আবু দাউদ , তিরমিযী শরীফ , সুনানে ইবনু মাজাহ ,
সুনানে নাসাঈ শরীফ। এর মধ্যে অধিকাংশ হাদীস সহীহ , কিন্তু সবগুলো না বোখারী ও মুসলিমের মত।
এবার বলি ৪০ দিন চিল্লা সম্পর্কে।
আমি (ডাঃ জাকির নায়েক) কোরআনের এমন কোন আয়াত জানি না যেখানে বলা হয়েছে ৪০ দিন এর জন্য চিল্লা দিতে হবে , এমন কোন সহীহ হাদীস ও জানি না যেখানে এই চিল্লা সম্পর্কে বলা হয়েছে , যেটাকে গাস্ত ও বলা হয়ে থাকে। যেমন বছরে ৪০ দিন বা মাসে ৩দিন , জীবনে অন্তত ১ বার। এগুলো কোরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। কিন্তু আমরা আমাদের মুসলিম ভাইদের সাথে ভালোবাসার সহিত ব্যাবহার করা উচিত।
আফসোসের বিষয় এই যে , আমাদের মুসলিম ভাইদের মধ্যে গবেষণার দৃষ্টিভঙ্গি নেই ,
এর অন্যতম কারন হলো স্বল্প জ্ঞান। সুতরাং তাদের সহিত হিকমার সাথে কথা বলতে হবে এবং তাদের (চিল্লা পন্থিদের) কোরআন ও সহীহ হাদীসের পথে আসার জন্য দাওয়াত দিতে হবে।
যেভাবে আমি বলি - এসো সেই দিকে যা তোমাদের ও আমাদের মধ্যে এক (সূরা আলে ইমরান ,
আয়াত নং- ৬৪)। এই আয়াত মুসলিমদের জন্যও প্রযোজ্য। এসো সেই দিকে যা তোমাদের ও আমাদের মধ্যে মিল ও এক। সেই মিল জিনিষটা কি? সেটা হলো কোরআন ও সহীহ হাদীস। এইবার এই দুটোর উপর আমল করো। বড়ই আফসোসের বিষয় যে তাদের সাথে আমরা হিকমত ব্যাবহার করি না। এই জন্যই এত ভেদাভেদ বা সমস্যা। আমি একটা লেকচার দিয়েছিলাম ,
যার নামঃ " মুসলিম উম্মাহর মধ্যে একতা " ।
এই লেকচারে আমি বলে দিয়েছি যে ক ও সহীহ হাদীসের উপর আমল করতে হবে।
ইনশা-আল্লাহ সকল মুসলিমরা গবেষণা করবে। এবং আল্লাহ বলেছেনঃ
** আর তোমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দৃঢ়ভাবে আল্লাহ্র রজ্জু (কোরআন ও সহীহ হাদীস) ধারণ
কর , এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যেও না। (সূরা আলে ইমরান , আয়াত নং- ১০৩)
আল্লাহ্র রজ্জু কি? কোরআন আর সহীহ হাদীস। কিন্তু আফসোসের বিষয় এই যে ,
আমরা কোরআন অর্থ বুঝে পড়ি না। কিছু সংখ্যক মুসলিম কোরআন অর্থ সহ জানে ,
বাকিরা শুধু না বুঝেই তিলাওয়াত করে। কিন্তু শুধু তিলাওয়াত করলাম এবং না বুঝার কারনে আমল করতে পারলাম না , তাহলে এতে কিন্তু আপনার জান্নাতে যাওয়ার গ্যারান্টি নেই। তিলাওয়াত করেন , পাশাপাশি অর্থ সহ তরজমা পড়েন। উর্দুতে পড়েন , হিন্দিতে পড়েন ,
ইংরেজীতে পড়েন , যে ভাষা আপনি সবচেয়ে ভাল বুঝেন সেই ভাষাতেই পড়েন।
বোখারী ও মুসলিম শরীফের তরজমা পড়েন। অর্থ সহ বুঝে পড়ো আর আমল করো।
বড়ই আফসোসের বিষয় আমরা কোরআন কে অর্থ বুঝে পড়ি না, এজন্য যে কেউ আপনাকে আলেম পরিচয় দিয়ে অন্য পথভ্রষ্টের জায়গায় নিয়ে যায়। যে কেউ ফতোয়া দিয়ে দিলো আর আপনারাও তা মেনে নিলেন।
আমি ডাঃ জাকির নায়েক ইসলামের মধ্যে কিছু বললে সেটা মূল্যহীন। এই জন্য আমি রেফারেন্স
দিয়ে বলি যে আমি না বরং আল্লাহ বলেছেন , এই সুরার ঐ আয়াতে।
সুতরাং আমি নিজ থেকে কিছু বললে সেটা মূল্যহীন।
মানতে হবে শুধুমাত্র কোরআন ও সহীহ হাদীসের কথা। সুতরাং যে কোন আলেম-ই যদি আপনাকে কিছু বলে তাহলে আপনি তার কাছে সেটার প্রমান চান বা প্রমান নিন এবং দেখেন
সেটা সহীহ সনদে বর্ণিত কি না।
আল্লাহ বলেনঃ
**
যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক , তাহলে প্রমান নিয়ে এস।(সূরা বাকারাহ , আয়াত নং- ১১১)
আমি (ডাঃ জাকির নায়েক) কোরআনের এমন কোন আয়াত জানি না যেখানে বলা হয়েছে ৪০ দিন এর জন্য চিল্লা দিতে হবে , এমন কোন সহীহ হাদীস ও জানি না যেখানে এই চিল্লা সম্পর্কে বলা হয়েছে , যেটাকে গাস্ত ও বলা হয়ে থাকে। যেমন বছরে ৪০ দিন বা মাসে ৩দিন , জীবনে অন্তত ১ বার। এগুলো কোরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। কিন্তু আমরা আমাদের মুসলিম ভাইদের সাথে ভালোবাসার সহিত ব্যাবহার করা উচিত।
আফসোসের বিষয় এই যে , আমাদের মুসলিম ভাইদের মধ্যে গবেষণার দৃষ্টিভঙ্গি নেই ,
এর অন্যতম কারন হলো স্বল্প জ্ঞান। সুতরাং তাদের সহিত হিকমার সাথে কথা বলতে হবে এবং তাদের (চিল্লা পন্থিদের) কোরআন ও সহীহ হাদীসের পথে আসার জন্য দাওয়াত দিতে হবে।
যেভাবে আমি বলি - এসো সেই দিকে যা তোমাদের ও আমাদের মধ্যে এক (সূরা আলে ইমরান ,
আয়াত নং- ৬৪)। এই আয়াত মুসলিমদের জন্যও প্রযোজ্য। এসো সেই দিকে যা তোমাদের ও আমাদের মধ্যে মিল ও এক। সেই মিল জিনিষটা কি? সেটা হলো কোরআন ও সহীহ হাদীস। এইবার এই দুটোর উপর আমল করো। বড়ই আফসোসের বিষয় যে তাদের সাথে আমরা হিকমত ব্যাবহার করি না। এই জন্যই এত ভেদাভেদ বা সমস্যা। আমি একটা লেকচার দিয়েছিলাম ,
যার নামঃ " মুসলিম উম্মাহর মধ্যে একতা " ।
এই লেকচারে আমি বলে দিয়েছি যে ক ও সহীহ হাদীসের উপর আমল করতে হবে।
ইনশা-আল্লাহ সকল মুসলিমরা গবেষণা করবে। এবং আল্লাহ বলেছেনঃ
** আর তোমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দৃঢ়ভাবে আল্লাহ্র রজ্জু (কোরআন ও সহীহ হাদীস) ধারণ
কর , এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যেও না। (সূরা আলে ইমরান , আয়াত নং- ১০৩)
আল্লাহ্র রজ্জু কি? কোরআন আর সহীহ হাদীস। কিন্তু আফসোসের বিষয় এই যে ,
আমরা কোরআন অর্থ বুঝে পড়ি না। কিছু সংখ্যক মুসলিম কোরআন অর্থ সহ জানে ,
বাকিরা শুধু না বুঝেই তিলাওয়াত করে। কিন্তু শুধু তিলাওয়াত করলাম এবং না বুঝার কারনে আমল করতে পারলাম না , তাহলে এতে কিন্তু আপনার জান্নাতে যাওয়ার গ্যারান্টি নেই। তিলাওয়াত করেন , পাশাপাশি অর্থ সহ তরজমা পড়েন। উর্দুতে পড়েন , হিন্দিতে পড়েন ,
ইংরেজীতে পড়েন , যে ভাষা আপনি সবচেয়ে ভাল বুঝেন সেই ভাষাতেই পড়েন।
বোখারী ও মুসলিম শরীফের তরজমা পড়েন। অর্থ সহ বুঝে পড়ো আর আমল করো।
বড়ই আফসোসের বিষয় আমরা কোরআন কে অর্থ বুঝে পড়ি না, এজন্য যে কেউ আপনাকে আলেম পরিচয় দিয়ে অন্য পথভ্রষ্টের জায়গায় নিয়ে যায়। যে কেউ ফতোয়া দিয়ে দিলো আর আপনারাও তা মেনে নিলেন।
আমি ডাঃ জাকির নায়েক ইসলামের মধ্যে কিছু বললে সেটা মূল্যহীন। এই জন্য আমি রেফারেন্স
দিয়ে বলি যে আমি না বরং আল্লাহ বলেছেন , এই সুরার ঐ আয়াতে।
সুতরাং আমি নিজ থেকে কিছু বললে সেটা মূল্যহীন।
মানতে হবে শুধুমাত্র কোরআন ও সহীহ হাদীসের কথা। সুতরাং যে কোন আলেম-ই যদি আপনাকে কিছু বলে তাহলে আপনি তার কাছে সেটার প্রমান চান বা প্রমান নিন এবং দেখেন
সেটা সহীহ সনদে বর্ণিত কি না।
আল্লাহ বলেনঃ
**
যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক , তাহলে প্রমান নিয়ে এস।(সূরা বাকারাহ , আয়াত নং- ১১১)
যদি আপনি সহীহ সনদে প্রমান পেশ করে বলেন , আপনি ডাঃ জাকির নায়েক ৪০
দিনের চিল্লায় যাবেন।
আমি (ডাঃ জাকির নায়েক) বলবঃ অবশ্যই , কেন নয়।
যদি আপনি সহীহ সনদে প্রমান পেশ করে বলেন , আপনি ডাঃ জাকির নায়েক ৪
মাসের চিল্লায় যাবেন।
আমি (ডাঃ জাকির নায়েক) বলবঃ অবশ্যই , কেন নয়।
আশা করি আপনি আপনার উত্তর পেয়েছেন।
-----------------------------------------------------------------------------------------------দিনের চিল্লায় যাবেন।
আমি (ডাঃ জাকির নায়েক) বলবঃ অবশ্যই , কেন নয়।
যদি আপনি সহীহ সনদে প্রমান পেশ করে বলেন , আপনি ডাঃ জাকির নায়েক ৪
মাসের চিল্লায় যাবেন।
আমি (ডাঃ জাকির নায়েক) বলবঃ অবশ্যই , কেন নয়।
আশা করি আপনি আপনার উত্তর পেয়েছেন।
comments-
আমার পরিচয় মুসলিম মাশ আল্লাহ।
Rasel Habib adar baparer kaca jahajar kabor jiggas karay to marttk bol.
Faruq Ahmad Thanks for an important post.
Abdullah Abdullah Abdullah জাকির নায়েক কে আল্লাহ্ দীর্ঘজীবি করুন।
Imran Khan আমি এই লেকচারের সাথে এক মত
Aminul Islam আমি একজন মুসলমান হিসেবে বলি ডাঃ জাকির নায়েক একদম ঠিক কথা বলেছেন |
علي ابن تاج তাবলিগ করা মানুষগুলু আল্লাহভীরু হচ্ছে ।
#(বিভেদ সৃষ্টি করোনা)
#(বিভেদ সৃষ্টি করোনা)
Boka Buxo Bhuto Sootoo bola Allah forz korecen aktu Bihar chesta Korean vi

Write a reply...
Saif N Mimmon gv me d Vdo link
MD Nazrul Islam Al-hossaine ডাঃজাকির নায়কের অনুসরন যারা করবে তারা একদিন ধংশ হয়ে যাবে
Shahriar Hossen right
Cadet Abdul Alim Piash biveder ki ase jakir sir to bollen koraner ayaat ta j, এসো সেই দিকে যা তোমাদের ও আমাদের মাঝে এক
Sirajul Islam RC ঐ বদমাইসের নাম ডাঃজাকির নাটক।ও ভালো কিছুই জানেনা।ওর ফাসি চাই
Ziaur Rahman তুমি এত বেশী জান যে তোমার পছন্দের জায়গা দখল করেছে ফেলেছে Sarika............ Ayeza Khan...

Write a reply...
অতৃপ্ত হৃদয় ভাই তাবলিক জামাতের লোক কি কোন দিন বলেছে যে হাদিস অাছে চিল্লা দিতে হবে? তারাতো বলে এই কারনে যে ইসলামকে জানতে হবে নামাজ সহিহকরে পরতে হবে তাই শিখ্খা করা দরকার কিন্তু অামাদের তো সেই বয়স নাই যে মাদ্রাসায় ভর্তি হব তাই অাল্লাহর রাস্তায় বের হয়ে এলেম শিখখা করতে !
Jahirul Hoque Dhali Tablig isnot way of Allah,pl follow Quran n Hadish well
অতৃপ্ত হৃদয় অাল্লাহ্ কে পেতে হলে অবশ্যই ঘর ছারতে হবে ঘরে বসে হবেনা
Rakibul Islam Rifat হৃদয় ভাই "অাল্লাহ্ কে পেতে হলে অবশ্যই ঘর ছারতে হবে ঘরে বসে হবেনা" এই কথা কি মহানবি (স) বলছেন নাকি আপনাদের বুজুর্গ রা?
ইসলামের প্রদীপ তাবলীগ হবে একমাত্র কুরআন & সুন্নাহ অনুযায়ী।
Enamul Hoque Enam অতৃপ্ত হৃদয়,আপনি যদি ইলেম শিখতে চান,তাহলে ভালো কোন আলেমের কাছে যান ৷ আপনি ৩ দিনে যা শিখবেন,৩ ঘন্টায় এর চেয়ে বেশি শিখবেন ৷ ইংশা'আল্লাহ! আর সব চাইতে বড় কথা প্রচলীত ইলিয়াছি তাবলীগের মধ্যে কুফুরী/শির্কে পরিপূর্ণ,যা আপনার ঈমানকে ধ্বংস করে দিবে ৷

Write a reply...
Abdus Sattar Vai MD Nazrul Islam Al-hossaine aponi akhon o apnar nizer sidante achen onar wrong Apni bole din.
Abdus Sattar Vai Sirajul Islam RC Niger pace ta ayenay dekhun. Apni ki manush na kisu?
আমার পরিচয় মুসলিম #ডঃ জাকির নায়েক হচ্ছে বর্তমান পৃথিবীর অশান্তির মূল!!
তার জন্যই মুসলিমরা আজ বড় অশান্তিতে..!কি অবাক হচ্ছেন তাই না..?তাহলে তার অশান্তি ছড়িয়ে দেয়ার কিছু প্রমান বা নমুনা দেখুন...> ★ জাকির নায়েক বলে চার মাজহাবের নামে চার দলে বিভক্ত না হয়ে বা হানাফী, মালেকি, শাফেয়ী এভাবে নিজেদের ভাগ ভাগ না করে কিংবা সালাফী, আহলে হাদীস, সুন্নী,ব্রেলভী
এভাবে বিভক্ত না হয়ে একটি মাত্র নামে নিজেকে পরিচয়
দিতে যাতে ইসলাম ধর্মাবলম্বী সকল মানুষের মাঝে একতা থাকে।
আর সেই পরিচয় টা হলো মুসলিম..!তিনি কথায় কথায় কুর-আনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন...."আল্লাহ পাক বলেন .." আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর
বিচ্ছিন্ন হয়ো না। " (সুরা ইমরান : ১০৩) তিনি আরো উদ্ধৃতি দিতে গিয়ে একটি আয়াত বলেন....."আর কে হতে পারে বক্তব্যে তার
চাইতে উত্তম? যে (মানুষকে) আল্লাহর পথে আহ্বান করে আর যাবতীয় জীবন কর্ম যেভাবে আল্লাহ করতে বলেছেন
সেভাবে করে এবং বলে আমি মুসলিম..!→(৪১:৩৩)।
নিজেকে শুধু মুসলিম বলে পরিচয় দিতে বলাটা আসলেই
তো বড় অশান্তির বিষয়..!.
=> ★ জাকির নায়েক আরো বলেছেন..মিলাদ পড়া যাবে না.. মিলাদ পড়া বিদায়াহ..! কোনো সাহাবা কেরাম প্রচলিত নিয়মে মিলাদ পড়েন নি...এটাও তো বড় অশান্তির বিষয়..!মুসলিমদের কে শান্তিমত একটু মিলাদ গাইতেও দিচ্ছে না..!
=> ★ জাকির নায়েক আরো বলেন...কোনো পীর পূজা বা মাজার পূজা না করতে..কোনো পীরের কাছে তো দূরে থাক
এমনকি রাসুল (সাঃ) এর কাছে কোনো কিছু না চাইতে..যা কিছু চাওয়ার সেটা সরাসরি আল্লাহর কাছে চাইতে হবে..কোনো পীর কে ওয়াসিলা হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না..!.আচ্ছা আপনারাই বলেন দেখি..পীরের কাছে না গেলে কি শান্তি লাগে..? পীরের হাতে পায়ে চুমা না খাইলে কি শান্তি লাগে..?তাকে দুই একটা সিজদাহ না করলে কিভাবে হয়..??এটা তো বড় অশান্তির বিষয়.
=> ★ জাকির নায়েক বলেছেন...কোর-আন এবং সহীহ হাদীস মেনে চলতে...এটাও তো বড় অশান্তির বিষয়...জাল হাদীস না মেনে চললে শান্তি পাবো কিভাবে..?
=> ★ জাকির নায়েকের লেকচার শুনে হাজার হাজার অমুসলিম এবং শত শত নাস্তিক মুসলিম হচ্ছে....অথচ আমাদের পীর বাবাগো কাছে অমুসলিম কিংবা নাস্তিক রা মুসলিম হচ্ছে না.
এটা তো আরো বড় অশান্তি..
=> ★ জর্জ উইলিয়াম ক্যাম্পবেল যখন কোর-আনের ভিতর অসংখ্য ভুল আছে বলে একটা বই বের করে পুরা মুসলিম
জাতিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলো.তখন সমস্ত মুসলিম জাতির কেউ তো তার মোকাবেলা করার দুঃসাহস দেখায় নি...অথচ জাকির নায়েকের এত বড় সাহস যে সেই ক্যাম্পবেল এর সাথে যুক্তি তর্ক করে কোর-আন কে নির্ভুল প্রমান করে ঐ খৃষ্টান
পাদ্রীর মুখে চুন কালি মাখিয়ে স্টেজ থেকে বিদায় করে দিলো
আর সাথে সাথে তখন বাইবেলের অসংখ্য ভুল বের করে
খৃষ্টান জাতিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো...এর চেয়ে বড় অশান্তিজনক আর কিছু আছে কি..??
★জাকির নায়েক এভাবে সমাজে অশান্তি ডেকে আনলে তো হবে না...এজন্য আমরা ডা: জাকির নায়েক এর জন্য কোর্ট,
টাই পড়া স্পেশাল বা উনার জন্য ব্যক্তিগত হারাম- করে দিয়েছি..!
উনার আগে মুসলিম রা যখন কোর্ট কিংবা প্যান্ট অথবা টাই, শার্ট
ব্যবহার করতো তখন সেগুলো জায়েজ ছিলো..কিন্ত এখন থেকে শুধুমাত্র ডাঃ জাকির নায়েকের জন্য উক্ত পোশাক গুলো হারাম..!
অথচ আমরা পরলে কোন সমস্যা নাই।.
=> ★ ডাঃজাকির নায়েক কোর্ট, টাই পরে..!টাই ইহুদি খ্রিষ্টান দের বানানো পোশাক,এজন্য ডাঃ জাকির নায়েক হচ্ছে ইহুদিদের দালাল,আর আমরা খৃষ্টানদের আবিষ্কার জাইংগা থেকে শুরু করে দাত ব্রাশ করার টুথপেস্টটাও ব্যবহার করি ,খৃষ্টানদের আবিষ্কার করা গাড়ি উড়োজাহাজ ব্যবহার করি কিন্তু তাতে সমস্যা নাই।.
=> ★ ডা: জাকির নায়েক কুরান পড়তে জানেনা, সে দ্রুত কুরান পড়ে, তার উচ্চারণে মাঝে মাঝে ত্রুটি হয়ে থাকে...--আর
তার জন্যই মুসলিমরা আজ বড় অশান্তিতে..!কি অবাক হচ্ছেন তাই না..?তাহলে তার অশান্তি ছড়িয়ে দেয়ার কিছু প্রমান বা নমুনা দেখুন...> ★ জাকির নায়েক বলে চার মাজহাবের নামে চার দলে বিভক্ত না হয়ে বা হানাফী, মালেকি, শাফেয়ী এভাবে নিজেদের ভাগ ভাগ না করে কিংবা সালাফী, আহলে হাদীস, সুন্নী,ব্রেলভী
এভাবে বিভক্ত না হয়ে একটি মাত্র নামে নিজেকে পরিচয়
দিতে যাতে ইসলাম ধর্মাবলম্বী সকল মানুষের মাঝে একতা থাকে।
আর সেই পরিচয় টা হলো মুসলিম..!তিনি কথায় কথায় কুর-আনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন...."আল্লাহ পাক বলেন .." আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর
বিচ্ছিন্ন হয়ো না। " (সুরা ইমরান : ১০৩) তিনি আরো উদ্ধৃতি দিতে গিয়ে একটি আয়াত বলেন....."আর কে হতে পারে বক্তব্যে তার
চাইতে উত্তম? যে (মানুষকে) আল্লাহর পথে আহ্বান করে আর যাবতীয় জীবন কর্ম যেভাবে আল্লাহ করতে বলেছেন
সেভাবে করে এবং বলে আমি মুসলিম..!→(৪১:৩৩)।
নিজেকে শুধু মুসলিম বলে পরিচয় দিতে বলাটা আসলেই
তো বড় অশান্তির বিষয়..!.
=> ★ জাকির নায়েক আরো বলেছেন..মিলাদ পড়া যাবে না.. মিলাদ পড়া বিদায়াহ..! কোনো সাহাবা কেরাম প্রচলিত নিয়মে মিলাদ পড়েন নি...এটাও তো বড় অশান্তির বিষয়..!মুসলিমদের কে শান্তিমত একটু মিলাদ গাইতেও দিচ্ছে না..!
=> ★ জাকির নায়েক আরো বলেন...কোনো পীর পূজা বা মাজার পূজা না করতে..কোনো পীরের কাছে তো দূরে থাক
এমনকি রাসুল (সাঃ) এর কাছে কোনো কিছু না চাইতে..যা কিছু চাওয়ার সেটা সরাসরি আল্লাহর কাছে চাইতে হবে..কোনো পীর কে ওয়াসিলা হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না..!.আচ্ছা আপনারাই বলেন দেখি..পীরের কাছে না গেলে কি শান্তি লাগে..? পীরের হাতে পায়ে চুমা না খাইলে কি শান্তি লাগে..?তাকে দুই একটা সিজদাহ না করলে কিভাবে হয়..??এটা তো বড় অশান্তির বিষয়.
=> ★ জাকির নায়েক বলেছেন...কোর-আন এবং সহীহ হাদীস মেনে চলতে...এটাও তো বড় অশান্তির বিষয়...জাল হাদীস না মেনে চললে শান্তি পাবো কিভাবে..?
=> ★ জাকির নায়েকের লেকচার শুনে হাজার হাজার অমুসলিম এবং শত শত নাস্তিক মুসলিম হচ্ছে....অথচ আমাদের পীর বাবাগো কাছে অমুসলিম কিংবা নাস্তিক রা মুসলিম হচ্ছে না.
এটা তো আরো বড় অশান্তি..
=> ★ জর্জ উইলিয়াম ক্যাম্পবেল যখন কোর-আনের ভিতর অসংখ্য ভুল আছে বলে একটা বই বের করে পুরা মুসলিম
জাতিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলো.তখন সমস্ত মুসলিম জাতির কেউ তো তার মোকাবেলা করার দুঃসাহস দেখায় নি...অথচ জাকির নায়েকের এত বড় সাহস যে সেই ক্যাম্পবেল এর সাথে যুক্তি তর্ক করে কোর-আন কে নির্ভুল প্রমান করে ঐ খৃষ্টান
পাদ্রীর মুখে চুন কালি মাখিয়ে স্টেজ থেকে বিদায় করে দিলো
আর সাথে সাথে তখন বাইবেলের অসংখ্য ভুল বের করে
খৃষ্টান জাতিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো...এর চেয়ে বড় অশান্তিজনক আর কিছু আছে কি..??
★জাকির নায়েক এভাবে সমাজে অশান্তি ডেকে আনলে তো হবে না...এজন্য আমরা ডা: জাকির নায়েক এর জন্য কোর্ট,
টাই পড়া স্পেশাল বা উনার জন্য ব্যক্তিগত হারাম- করে দিয়েছি..!
উনার আগে মুসলিম রা যখন কোর্ট কিংবা প্যান্ট অথবা টাই, শার্ট
ব্যবহার করতো তখন সেগুলো জায়েজ ছিলো..কিন্ত এখন থেকে শুধুমাত্র ডাঃ জাকির নায়েকের জন্য উক্ত পোশাক গুলো হারাম..!
অথচ আমরা পরলে কোন সমস্যা নাই।.
=> ★ ডাঃজাকির নায়েক কোর্ট, টাই পরে..!টাই ইহুদি খ্রিষ্টান দের বানানো পোশাক,এজন্য ডাঃ জাকির নায়েক হচ্ছে ইহুদিদের দালাল,আর আমরা খৃষ্টানদের আবিষ্কার জাইংগা থেকে শুরু করে দাত ব্রাশ করার টুথপেস্টটাও ব্যবহার করি ,খৃষ্টানদের আবিষ্কার করা গাড়ি উড়োজাহাজ ব্যবহার করি কিন্তু তাতে সমস্যা নাই।.
=> ★ ডা: জাকির নায়েক কুরান পড়তে জানেনা, সে দ্রুত কুরান পড়ে, তার উচ্চারণে মাঝে মাঝে ত্রুটি হয়ে থাকে...--আর

Write a reply...
আমার পরিচয় মুসলিম শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পঢ়ম করুণাময় অতি দয়ালু। সম্পুর্ণ লেখা না পড়ে কেউ খারাপ মন্তব্য করবেন না।
নবী হযরত ঈসা আলাইহি ওসাল্লাম সম্পর্কিত ২টি আয়াতের তরজমা পড়ুন।
সূরা আন নিসা:157 - আর তাদের একথা বলার কারণে যে, আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি যিনি ছিলেন আল্লাহর রসূল। অথচ তারা না তাঁকে হত্যা করেছে, আর না শুলীতে চড়িয়েছে, বরং তারা এরূপ ধাঁধায় পতিত হয়েছিল। বস্তুতঃ তারা এ ব্যাপারে নানা রকম কথা বলে, তারা এক্ষেত্রে সন্দেহের মাঝে পড়ে আছে, শুধুমাত্র অনুমান করা ছাড়া তারা এ বিষয়ে কোন খবরই রাখে না। আর নিশ্চয়ই তাঁকে তারা হত্যা করেনি।
সূরা আন নিসা:158 - বরং তাঁকে উঠিয়ে নিয়েছেন আল্লাহ তাআলা নিজের কাছে। আর আল্লাহ হচ্ছেন মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
সুপ্রিয় মুসলিম ভাইয়েরা কোর্ট টাই প্যান্ট শার্ট পোশাক একটি বিতর্কিত পোশাক এবং কোর্ট টাই কে অনেক আলেম হারাম বলে থাকেন যে এটা খ্রিস্টানদের ধর্মীয় পোশাক, হাজার মুসলিম এমপি মন্ত্রি স্কুল কলেজের ছাত্ররা এ পোশাক পড়ে তাতে দোষ নেই জাকির নায়েক পরলেই সে হারাম পরলো এমন ফতোয়া অনেক দেখেছি সেজন্য আজকের লেখা।
আসুন দেখি মুসলিমের পোশাক কেমন হওয়া উচিৎ।
পায়জামা পাঞ্জাবী যে সুন্নতি পোশাক তা কিন্তু হাদিসে বলা নাই এবং প্যান্ট শার্ট সুন্নতি পোশাক নয় এটা বলা চরম মুর্খতা।
সুন্নতি পোশাকের বিবরণ :
ক। সুন্দর ও পবিত্র-পরিচ্ছন্ন পোশাক।
খ। ছতর আবৃত করে এমন পোশাক।
গ। টাখনুর উপরে পরিহিত পোশাক।
ঘ। দাড়ি।
ঙ। টুপি।
চ। নিষিদ্ধ নয় এমন পোশাক। যেমন- রেশমি পোশাক, সোনা খচিত পোশাক, নারীর পোশাক।আমার জানা মতে তিনি সুন্নতি পোশাকের সবগুলো শর্ত পূরণকরেই পোশাক পরেন।
সুন্নতি পোশাকের শর্ত সমূহ:
শর্ত নং-১, পোষাকের প্রথম শর্ত, পোষাক পুরুষের নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত ঢাকতে হবে। ( সুনানে তিরমিজি, ৫/১১০)।
শর্ত নং-২, পোষাক পাতলা ও অাটোসাটো হবে না। ( হাইসামী, মাযমাউয যাওয়াইদ, ৫/১৩৬, এই পৃঃ দুটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে, মুসান্নাফে ইবনে অাবি শাইবা, ৫/১৫৭, ইবনু সাদ, অাত তাবাবাত, ৫/১৯১, ৩২৮) ।
শর্ত নং-৩, পুরুষরা মেয়েদের পোষাক ও নারীরা পুরুষের পোষাক পরতে পারবে না। ( অাবু দাউদ, ৪/৬০, হাকিম, অাল মুসতাদরাক, ৪/২১৫, হাইসামী, মাওয়ারিদুয যামঅান, ৪/৪৫০, বুখারি, ৫/
২২০৭,তাবারানি, অাল মু ‘জামুল অাউসাত,৪/২১২, মুসনাদে অাহমাদ, ২/৯৫৬)।
শর্ত নং ৪, পোষাক অহংকারী হতে পারবে না। ( অাবু দাউদ, ৪/৪৩, ইবনে মাজাহ, ২/১১৯২, ১১৯৩)। পুরুষরা রেশমি পোষাক পরতে পারবে না। ( নাসাঈ, ৮/১৬১, বুখারি, ৫/২২০২, সহিহ মুসলিম, ৩/১৬৩৫, বুখারি, ১/৩০২, ৫/২১৯৪)।
শর্ত নং ৫, পোষাক টাকনুর নিচে যাবে না। ( বুখারি, ৫/২১৮২, অাবু দাউদ, ৪/৫৯, বুখারি, ৩/১৩৪০, ইবনে হিব্বান, ১২/২৬২, অাবু দাউদ, ১/১৭২) ।
এবার আসাজাক টাই সম্পর্কে :
আমাদের সমাজের ভ্রান্ত আকিদার আকিদার কিছু আলেম আছেন যারা প্রচার করে বেড়ায় টাই হচ্ছে খ্রিস্টানদের পোশাক তার কারন হচ্ছে নবী ঈসা(আঃ)ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মরেছিলেন তাই খ্রিস্টান রা নবী ঈসা(আঃ)এর সম্মানে ক্রস ব্যবহার করে। নবী ঈসা(আঃ) ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মরেননি তার প্রমান আল কোরআন সুরা আন নিসা আয়াত 157,158
আপনাদের নিকট প্রস্ন যদি নবী ঈসা(আঃ) ক্রুশ বিদ্ধ না হয় তবে তার প্রতিক ক্রস কিভাবে হয়??? ঈসা(আঃ)যদি ক্রুশ বিদ্ধ হত তবে তার তার প্রতিক হিসেবে ক্রস ব্যাবহার করতে পারতো!!!
যেখানে ক্রসের অস্তিত্ব নাই সেখানে টাই কে ক্রসের সাথে কিভাবে জুরে দেয়?
খ্রিস্টানদের অন্ধবিশ্বাস ক্রস হচ্ছে নবী ঈসা(আঃ)এর প্রতিক, খ্রিস্টান রা অন্ধ ভ্রান্ত হতে পারে কিন্তু মুসলিম রা কেনো অন্ধভাবে ফতোয়াবাজি করে যে টাই কোর্ট খ্রিষ্টানদের পোশাক?আপনার যদি কোর্ট টাই পছন্দ না হয় তবে পায়জামা পাঞ্জাবি পড়ুন এতে তো কেউ বাধা দেয়নি, এটা যার ব্যক্তিগত ব্যাপার কিন্তু আপনার পছন্দ ন?
নবী হযরত ঈসা আলাইহি ওসাল্লাম সম্পর্কিত ২টি আয়াতের তরজমা পড়ুন।
সূরা আন নিসা:157 - আর তাদের একথা বলার কারণে যে, আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি যিনি ছিলেন আল্লাহর রসূল। অথচ তারা না তাঁকে হত্যা করেছে, আর না শুলীতে চড়িয়েছে, বরং তারা এরূপ ধাঁধায় পতিত হয়েছিল। বস্তুতঃ তারা এ ব্যাপারে নানা রকম কথা বলে, তারা এক্ষেত্রে সন্দেহের মাঝে পড়ে আছে, শুধুমাত্র অনুমান করা ছাড়া তারা এ বিষয়ে কোন খবরই রাখে না। আর নিশ্চয়ই তাঁকে তারা হত্যা করেনি।
সূরা আন নিসা:158 - বরং তাঁকে উঠিয়ে নিয়েছেন আল্লাহ তাআলা নিজের কাছে। আর আল্লাহ হচ্ছেন মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
সুপ্রিয় মুসলিম ভাইয়েরা কোর্ট টাই প্যান্ট শার্ট পোশাক একটি বিতর্কিত পোশাক এবং কোর্ট টাই কে অনেক আলেম হারাম বলে থাকেন যে এটা খ্রিস্টানদের ধর্মীয় পোশাক, হাজার মুসলিম এমপি মন্ত্রি স্কুল কলেজের ছাত্ররা এ পোশাক পড়ে তাতে দোষ নেই জাকির নায়েক পরলেই সে হারাম পরলো এমন ফতোয়া অনেক দেখেছি সেজন্য আজকের লেখা।
আসুন দেখি মুসলিমের পোশাক কেমন হওয়া উচিৎ।
পায়জামা পাঞ্জাবী যে সুন্নতি পোশাক তা কিন্তু হাদিসে বলা নাই এবং প্যান্ট শার্ট সুন্নতি পোশাক নয় এটা বলা চরম মুর্খতা।
সুন্নতি পোশাকের বিবরণ :
ক। সুন্দর ও পবিত্র-পরিচ্ছন্ন পোশাক।
খ। ছতর আবৃত করে এমন পোশাক।
গ। টাখনুর উপরে পরিহিত পোশাক।
ঘ। দাড়ি।
ঙ। টুপি।
চ। নিষিদ্ধ নয় এমন পোশাক। যেমন- রেশমি পোশাক, সোনা খচিত পোশাক, নারীর পোশাক।আমার জানা মতে তিনি সুন্নতি পোশাকের সবগুলো শর্ত পূরণকরেই পোশাক পরেন।
সুন্নতি পোশাকের শর্ত সমূহ:
শর্ত নং-১, পোষাকের প্রথম শর্ত, পোষাক পুরুষের নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত ঢাকতে হবে। ( সুনানে তিরমিজি, ৫/১১০)।
শর্ত নং-২, পোষাক পাতলা ও অাটোসাটো হবে না। ( হাইসামী, মাযমাউয যাওয়াইদ, ৫/১৩৬, এই পৃঃ দুটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে, মুসান্নাফে ইবনে অাবি শাইবা, ৫/১৫৭, ইবনু সাদ, অাত তাবাবাত, ৫/১৯১, ৩২৮) ।
শর্ত নং-৩, পুরুষরা মেয়েদের পোষাক ও নারীরা পুরুষের পোষাক পরতে পারবে না। ( অাবু দাউদ, ৪/৬০, হাকিম, অাল মুসতাদরাক, ৪/২১৫, হাইসামী, মাওয়ারিদুয যামঅান, ৪/৪৫০, বুখারি, ৫/
২২০৭,তাবারানি, অাল মু ‘জামুল অাউসাত,৪/২১২, মুসনাদে অাহমাদ, ২/৯৫৬)।
শর্ত নং ৪, পোষাক অহংকারী হতে পারবে না। ( অাবু দাউদ, ৪/৪৩, ইবনে মাজাহ, ২/১১৯২, ১১৯৩)। পুরুষরা রেশমি পোষাক পরতে পারবে না। ( নাসাঈ, ৮/১৬১, বুখারি, ৫/২২০২, সহিহ মুসলিম, ৩/১৬৩৫, বুখারি, ১/৩০২, ৫/২১৯৪)।
শর্ত নং ৫, পোষাক টাকনুর নিচে যাবে না। ( বুখারি, ৫/২১৮২, অাবু দাউদ, ৪/৫৯, বুখারি, ৩/১৩৪০, ইবনে হিব্বান, ১২/২৬২, অাবু দাউদ, ১/১৭২) ।
এবার আসাজাক টাই সম্পর্কে :
আমাদের সমাজের ভ্রান্ত আকিদার আকিদার কিছু আলেম আছেন যারা প্রচার করে বেড়ায় টাই হচ্ছে খ্রিস্টানদের পোশাক তার কারন হচ্ছে নবী ঈসা(আঃ)ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মরেছিলেন তাই খ্রিস্টান রা নবী ঈসা(আঃ)এর সম্মানে ক্রস ব্যবহার করে। নবী ঈসা(আঃ) ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মরেননি তার প্রমান আল কোরআন সুরা আন নিসা আয়াত 157,158
আপনাদের নিকট প্রস্ন যদি নবী ঈসা(আঃ) ক্রুশ বিদ্ধ না হয় তবে তার প্রতিক ক্রস কিভাবে হয়??? ঈসা(আঃ)যদি ক্রুশ বিদ্ধ হত তবে তার তার প্রতিক হিসেবে ক্রস ব্যাবহার করতে পারতো!!!
যেখানে ক্রসের অস্তিত্ব নাই সেখানে টাই কে ক্রসের সাথে কিভাবে জুরে দেয়?
খ্রিস্টানদের অন্ধবিশ্বাস ক্রস হচ্ছে নবী ঈসা(আঃ)এর প্রতিক, খ্রিস্টান রা অন্ধ ভ্রান্ত হতে পারে কিন্তু মুসলিম রা কেনো অন্ধভাবে ফতোয়াবাজি করে যে টাই কোর্ট খ্রিষ্টানদের পোশাক?আপনার যদি কোর্ট টাই পছন্দ না হয় তবে পায়জামা পাঞ্জাবি পড়ুন এতে তো কেউ বাধা দেয়নি, এটা যার ব্যক্তিগত ব্যাপার কিন্তু আপনার পছন্দ ন?

Write a reply...
আমার পরিচয় মুসলিম উপরের কমেন্টে সম্পুর্ন লেখা দেখতে না পারলে এই লিংক অনুসরণ করুন, জাকির নায়েকের কোর্ট টাই নিয়ে যাদের সমস্যা আছে তাদের জন্য।
https://m.facebook.com/story.php...
https://m.facebook.com/story.php...
Mahfuzul Haque Khan যারা সহীহ দলিল দিয়ে কথা বলে তারা সঠিক তা আমরা পালন করব
Hasan Boya Alhamdulillah vae mufajjol apni thik bolcian rasol (sm.) bolan amar akti kotha jana thakla bola dao/jania dao/prochar koro but amar kotha noe amon kotha jodi amar bola prochar koro tar sthan/jaega sora sori jahannama. Tae vae ja kono loka Quran & sohi Hadisar kotha bolba ta amra jodi proman soho pae toba obssoe grohon koro. But boro mulla / pir sahab jodi jal/banoat hadis bola jar kono proman nae nobi korim (sm.) hadis noe ta jodi mani amadas sthan sorasori jahannam. Tae pir puja, kobor puja, mitha bola, gibot, sirk, kufori thaka bachta hoba amadar ajonno Quran & sohi Hadis mana amadar bakita jibon otibahito korta hoba. Allah sobaeka bujar toupik dan koron amin.
এইচ এম লাবীব পাগল আর পাগলি ত একি কতা।জাকির আর ফেতনা একি কথা
Md Sha Alom ডা:জাকির নায়েক খুব ভাল মানুষ
Sheikh Rasel I hate u salafi mullha
Allahar Gulam Rafiq জাযাকাল্লাহু খাইরন ।
Arif Hossain আলহামদু লিললাহ যারা ড যাকির নায়েকের বেপারে উগ্রবাদী তাদের জন্য এর চেয়ে ভালো কথা আর কী হতে পারে,
Nelima Neil Alhamdulillah

Write a reply...
Nusrat Jahan Surovi পাগল আর পাগলি সতি্য একই।।।কিনতু ফিতনা আর জাকির এক নয়।।।।।কোরআন হাদিস পড়ে সংশোধন হউন।।।জাকির নায়েক সতে্যর দাওয়াত দেয়।।ফাউ কাজের দাওয়াত দেয় না।#এইচ এম সোহেল#
Nelima Neil Thik

Write a reply...
Nusrat Jahan Surovi দুঃখিত নাম ভুল দেওয়ার জন্য।# এইচ এম লাবীব#








































No comments:
Post a Comment